ঘরে বসে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন বেগুন আলু নিয়ে ইলিশ মাছের ঝোল।
বেগুন আলু দিয়ে ইলিশ মাছ রান্না করতে আমাদের যা যা প্রয়োজন হবে তা হলো,
২টা বেগুন নিন,
২ টা আলু নিন,
৪ পিক ইলিশ মাছ নিন।
তেল ,পেঁয়াজ , রসুন, কাঁচা মরিচ, লবন, মরিচের গুঁড়া , ধনিয়া গুঁড়া , হলুদের গুঁড়া, জিরা , ইত্যাদি।
আলু, বেগুন, মাছ বেশি নিলে ও নিতে পারেন, এতে কেনো সমস্যা নেই।
ইলিশ মাছ আমিষ জাতীয় মাছ। ইলিশ মাছ নদীর তে পওয়া যাই।
সরিষার তেল শরীর জন্য ভালো। সরিষার তেলে তরকারিতে দিয়ে রান্না করলে তরকারির কালার অনেক সুন্দর হয়। সরিষার তেলে ফ্যাট কম হয়। হাডের জন্য ভালো সরিষার তেল। সরিষার তেল রান্নায় ব্যবহারে শরীরে চর্বি হয় না । শরীর সুস্থ রাখে। রসুন খাওয়া ভালো। হাড, পেসার, বেশি থাকলে তা কমে যায়।
কাচা লবন শরীর জন্য ক্ষতিকর। পেসার বাড়ে। তাই তারকারি রান্নার সময় সাধ মতো লবন দিয়ে নিন। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের জন্য ঠিক না।
পেঁয়াজ, রসুন ভালো ভাবে ছিলে নিন। তারপর পেঁয়াজ রসুন ছোট ছোট করে কেটে নিন। তার পর ধুয়ে নিন। তারপর জিরা, পেঁয়াজ , রসুন কুচি গুলো ব্লিন্ডারের সাহায্য ব্লিন্ড করে নিন। বসার ব্লিন্ডার না থাকলে শিল পাটাতে বেটে নিন।
প্রথমে আলু, বেগুন ভালো ভাবে ধুয়ে নিন। তারপর আলু গুলোর খোসা গুলো ছাড়িয়ে নিন। তারপর ৪ ভাগ করে কেটে নিন ।তার পর বেগুন গুলো প্রথমে লম্বা ভাবে ৪ ভাগ করে নিন। তার পর আড়াআড়ি করে কেটে নিন । তখন বেগুন গুলো সুন্দর ভাবে কাটা হয়ে যাবে। তারপর আলু বেগুন গুলো আলাদা পাএে ধুয়ে রেখে দিন। ইলিশ মাছ ভালো ধুয়ে নিন। তার পর পিচ পিচ করে কেটে নিন। তারপর আবার ভালো ভাবে ধুয়ে নিন। ইলিশ মাছের পিচ গুলোতে লবন দিয়ে ১ মিনিট মতো হাতে সাহায্য ভালো ভাবে মাখিয়ে নিন। তার পর ধুয়ে নিন। এরপর মাছ গুলো কে পানি ঝরাতে দিন। তারপর লবন, আর হলুদ দিয়ে ভালো ভাবে মিখে নিন। তারপর মাছের পিছ গুলো হালাকা ভাবে ভেজে নিন । ভাজার সময় চুলার আগুন আস্তে করে দিতে হবে। মাছ গুলো না ভাজলে ও হবে , কিন্তু হালকা করে ভেজে নিলে খেতে ভালো লাগে। ভাজা হয়ে গেলে মাছের পিছ গুলো আলাদা একটি পাত্রে রেখে দিন।
একটি কড়াই নিন। কড়াই টা ভালো ভাবে ধুয়ে নিন।
কড়াই টি চুলার ওপরে রাখুন। চুলাটা জালিয়ে দিন। তারপর কড়াইতে পরিমাপ মত তেল দিন। তেল গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর কিছু পেয়াজ ভালো ভাবে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে দিন। আর কিছু কাঁচামরিচ কেটে দিন।
এবার গরম তেল মধ্যে জিরা,পেঁয়াজ, রসুন বাটা গুলো দিন । তারপর হলুদের গুড়া, মরিচের গুঁড়া, লবণ, ধনিয়ার , তেজ পাতা, এগুলো পরিমাপ মতো দিন। তারপর খুন্তির সাহায্যে নেড়ে নিন । কিছুক্ষণ বাটা মসলা গুলো কষিয়ে নিন । পরে ওর মধ্যে আলু দিয়ে দিন। ভালো করে নেড়ে নিন। তার পর বেগুন গুলো দিন। একটা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা টি তুলে একটু পানি দিয়ে আরার ঢেকে দিন কিছুক্ষণ।
এর পর পরিমান মত পানি দিন। তার পর ফুটে ফুটে তরকারি সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ভাজা মাছের পিচ গুলো তরকারির মধ্যে ছেড়ে দিন। মনে রাখতে হবে যে ঝোল ঘন রাখতে হবে। তাহলে তরকারি মজা হবে । না হলে পানি পানি লাগবে । তারপর তরকারি হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন। তরকারি টি কিছু খন ঢেকে রাখুন।
জিরা ভেজে গুড়া করে তারকারি মধ্যে দিয়ে দিন । ভাঝনা দিলে তরকারিতে সুন্দর একটি গন্ধ আসে। ভাজনা দিলে ঝোল গাড়ো হয় ।
ভাতের সাথে পরিবেশন করুন বেগুন,আলু, ইলিশ মাছের তরকারি। খেতে অনেক মজাদার হয়। এই আলু বেগুন ইলিশ মাছ বাচ্চা রা খেতে পছন্দ করে।
উপকারিতা :
ইলিশ মাছ হাডের জন্য অনেক ভালো। ইলিশ মাছের তেল অনেক উপকার করে। শরীর ভালো রাখে। অসুস্থতা কম করে । শরীর জন্য অনেক উপকার হয়।
