ঘরে বসে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন সাদা পোলাও।
সাদা পোলাও রান্না করতে যা যা প্রয়োজন
যেমন জিরা, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, ঘি, আদা বাটা, রসুন বাটা, তরল দুধ, তেজ পাতা, গরম মসলা, এলাজ, মসলা, দারুচিনি ইত্যাদি।
প্রথমে মরিচ গুলো ভালো ভাবে ধুয়ে নিন। তারপর রসুনের খোসা ছাড়িয়ে নিন । পেঁয়াজ ও আদার খোসা ছাড়িয়ে নিন । তারপর ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলুন।
তার পরে পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কেটে নিন। পেঁয়াজ রসুন ভালো করে পরিষ্কার করে, খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপরে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে। বাসার ব্লিন্ডার থাকলে ব্লিন্ড করে নিন। ব্লিন্ডার টা পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। তারপর ওর মধ্যে আদা, রসুন কুচি গুলো, দিন। যদি বাসায় ব্লিন্ডার না থাকে, তাহলে শিলপাটা ব্যবহার করুন। শিলপাটা পরিষ্কার করে নিয়ে পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, আদা কুচি, গুলো বেটে নিন। বাটা হয়ে গেলে আলাদা পাত্রে রেখে দিন।
পোলাও চাল গুলো একটি পাত্র ঢেলে নিন। তার পর একটি জগ নিন, পানিগুলো পোলাও চাউল মধ্যে দিয়ে দিন। ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। তারপর ধুয়ে নেওয়ার পর একটি পাত্রে পানি জড়াতে দিন। পানি ঝরে গেলে একটি পাত্রে রেখে দিন । কিছু পেঁয়াজ নিন। তার পর পেঁয়াজ গুলো ভালো ভাবে খোসা ছাড়িয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে নেওয়ার পর ভালো ভাবে পরিষ্কার পানি ধুয়ে নিন।
তারপর পেঁয়াজ গুলো কুচি কুচি করে কেটে নিন। পেঁয়াজ গুলো কাটার পর আলাদা পাত্রে রেখে দিন।
একটি পাত্র বা কড়াই নিন। একটি পাত্রে পরিমাপ মত পানি দিয়ে , পানি গুলো ফুটিয়ে নিন। অন্য একটি পাত্র চুলার ওপরে রাখুন। তারপর পাত্রের মধ্যে পরিমাপ মত তেল দিন। তেল দেয়ার পর তেলটি গরম হাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । পেঁয়াজ কুচি গুলো তেলের মধ্যে ছেড়ে দিন। পেঁয়াজের কুচি গুলো বাদামি কালার হলে নামিয়ে ফেলুন। তারপর আলাদা পাত্রে রেখে দিন।
ওই পাত্রে আবার ও কিছু মধ্যে তেল দিন। তেল টা গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানি ঝরানো চাউল গুলো তেলের মধ্যে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষণ ভেজে নিন। যত ক্ষণ চাউল ভাজা হবে না , ততক্ষণ পর্যন্ত ভাজতে হবে। খুন্তির সাহায্যে নেরে দিন। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন চাউল যেন নিচে পুড়ে না যায়। যতক্ষণ ভাজা হবে না তত ক্ষণ খুন্তির সাহায্যে নাড়তে হবে। তারপর পরিমাপ মত গরম পানি ঢেকে দিন । পানি দেওয়ার পরে আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ, মসলা, কাঁচা মরিচ কুচি , দুধ, ঘি দিন। খুন্তির সাহায্যে সব গুলো উপাদান ভালো ভাবে মিশিয়ে দিন। পানি ফুটে ফুটে চাউল সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেন। তারপর প্রস্তুত হাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। রান্না পুরোপুরি সম্পূর্ণ হলে চুলা টা অফ করে দিন।
সাদা পোলার একটি পাত্রে ঢেলে নিন । তারপর ভাজা পেঁয়াজ গুলো পোলাও মধ্যে দিয়ে দিন । অল্প অল্প করে নেড়ে দিন আর অল্প অল্প করে ভাজা পেঁয়াজের কুচি গুলো দিয়ে দিন। তাহলে সাদা পোলাও রান্না হয়ে যাবে।
আপনার বাসা অবশ্যই একবার হলেও চেষ্টা করবেন সাদা পোলাও রান্না করতে। খেতে খুবই সুস্বাদু ও মজাদার হয়ে থাকে। বাচ্চারা অনেক পছন্দ করে খেতে ও ভালো লাগে।
পোলাওয়ের চাউলের আছে অনেক পুষ্টি। পোলাও চাউল দিয়ে আমার খির, বিরিয়ানি, ইত্যাদি রান্না করে থাকি।
দুধে অনেক পুষ্টিকর । দুধ খেলে শক্তি হয়। দুধ খেলে শরীরের হাড় মজবুত ও শক্ত হয়। দুধ খেলে দাঁতের ক্যালসিয়াম বৃদ্ধি পায়, ইত্যাদি ইত্যাদি।
ঘি খেলে পেসার বাড়ে। তাই দুধ, ঘি এসব খাবার যাদের পেসার আছে তারা অল্প করে খাবেন। যদি দুধ, ঘি খান তাহলে ডাক্তার কাছে পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
আমাদের স্বাস্থ্য বাড়ায় ঘি। শক্তিশালী করে তোলে। কাঁচা লবণ পেশার বাড়ার। তাই কাঁচা লবণ খাওয়া উচিত নয়। শুকনা মরিচ বেশি খেলে পেটের আলসার ঘা হয়। তাই কখনোই বেশি মরিচ খাবেন না। পরিমাপ মত মরিচ খাবেন বেশি খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।
